বিয়ে মানব জাতির জন্য একটি বিশেষ নেয়ামত

দুনিয়াতে মানব জাতির আগমন এর ধারা অব্যাহত রাখতে নারী পুরুষের মিলনের কোন বিকল্প নেই। এজন্য বিয়ে একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন মাধ্যম যার দ্বারা স্বামী স্ত্রী একে অপরের প্রতি ভালবাসা প্রকাশের সুযোগ পায় এবং দুনিয়ায় নবজাতকের আগমন ঘটে। আর এই নবজাতকের জন্য সুন্দর পরিবেশ ও সহযোগিতার জন্য বাবা মায়ের কোন বিকল্প নেই, যা বিয়ের মাধ্যমে সংগঠিত হয়। বিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর একটি সুন্নত। ঈমানের পূর্ণতার সহায়ক। আদর্শ পরিবার গঠন, মানুষের জৈবিক চাহিদা পূরণ এবং মানসিক প্রশান্তি লাভের প্রধান উপকরণ হচ্ছে বিবাহ। বিয়ের মাধ্যমেই পাত্র-পাত্রী স্বামী-স্ত্রী তে রুপান্তরিত হয় এবং একসাথে জীবনযাপন করতে শুরু করে।

মানবজাতিকে লিভ-টুগেদারের না করে বৈধভাবে যৌন চাহিদা পূরণের জন্যই মহান রাব্বুল আলামিন বিবাহের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রাপ্ত বয়স্ক ও সামর্থ্যবান হলে কালবিলম্ব না করে বিবাহ করা প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। আল্লাহ তা আলা ইরশাদ করেন-  অর্থাৎ ‘তারা (স্ত্রীগণ) তোমাদের পোশাক এবং তোমরা (স্বামীগণ) তাদের পোশাকস্বরূপ`। (সূরা বাকারা : আয়াত ১৮৭)

হাদিসে এসেছে- ‘যখন কোনো বান্দা বিবাহ করলো তখন সে তার ঈমানের অর্ধাংশ পূর্ণ করল। (মিশকাত) ‘ইসলামে বৈরাগ্যতা নেই এবং বৈরাগ্য জীবনযাপন করাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিষেধ করেছেন। (দারেমি)

বিবাহের গুরুত্ব ও উপকারিতা অনস্বীকার্য। জিনা-ব্যভিচারের মতো বড় বড় গুনাহ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আল্লাহ তাআলা প্রত্যেককে ইসলামী অনুশাসন মেনে বিবাহ করার মাধ্যমে সুন্দর সমাজ বিনির্মাণের তাওফিক দান করুন- আমীন।

 

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.